সাভার প্রতিনিধিঃ মো: রাকিবুল ইসলাম
দীর্ঘ দেড় যুগ পর নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজেদের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করল বিএনপি।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভারের তারাপুর মাঠে সাভার পৌর ও আশুলিয়া থানা বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা গত বছরের গণ-অভ্যুত্থান এবং দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।
সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মাইনুল হোসেন বিল্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জামাল সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কফিল উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল আহশান রাশেদ, সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব রেফাত উল্লাহ, বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন, পৌর ছাত্রদল সহ-সভাপতি মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাসেলসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
বক্তারা বলেন, বিগত দেড় যুগ ধরে বিএনপি কঠোর আন্দোলনে ছিল। তারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে। গত বছরের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের পর দলটি নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। এই গণ-অভ্যুত্থান দেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এখন বিএনপি দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে এবং এই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামনে এগিয়ে যাবে।
এ সময় আলহাজ্ব কফিল উদ্দিনকে ঢাকা ১৯ আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রার্থী হিসাবে সমর্থন ঘোষণা করেন মঞ্চে উপবিষ্ট নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য সদ্য সাবেক ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন বিগত ১৭ টি বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বারা বিভিন্নভাবে জেল জুলুম অত্যাচার, নির্যাতিত হয়েছেন। তাই নেতাকর্মী আগামী দিনে ঢাকা -১৯ আসন থেকে এমনি একজন ত্যাগী নেতাকে আগামী দিনে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় । এই দিন উপস্থিত আশুলিয়া সাভার সহ সকল নেতৃবৃন্দ আগামী দিনের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে হাজী কফিল উদ্দিনকে সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষ হাতে তুলে দেন।
হাজী কফিল উদ্দিন তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা একজন বিএনপি’র সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাভার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২২ বছর দায়িত্ব পালন করেন, ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সাভার উপজেলায় তিনটি সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগের এমপিদের সকল বাধা পেরিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।দীর্ঘদিন ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নেতৃবৃন্দদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য দায়িত্ব পালন করেছেন। যে দায়িত্ব পালনে তিনি অবহেলা করেননি বলে বিভিন্ন মহল তার প্রশংসা করেন। যার ফলে এমননি ত্যাগী নেতাকে আগামী দিনের ঢাকা-১৯ এর হাল ধরতে সমর্থন জানাতে কেউ পিছপা হননি। এ সময় অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ
