যুদ্ধ বন্ধের পর বহুমুখী চ্যালেঞ্জের অন্যতম গাজার ধ্বংসস্তুূপ অপসারণ। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টন ধ্বংসাবশেষ সরাতে হবে উপত্যকা থেকে। ধাপে ধাপে চলবে এই অভিযান। প্রথমেই রাস্তাঘাট পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; যেন দ্রুত পৌঁছানো যায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এরপর মেরামত করা হবে হাসপাতাল ও সামাজিক সেবা কেন্দ্রগুলো। চলছেট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগও।
তিনি বলেন, আমাদের প্রথম টার্গেট হলো রাস্তা পরিষ্কার করা যেন, ত্রাণবাহী ট্রাক গুলো গাজা সিটিতে নির্বিঘ্নে ঢুকতে পারে। বাসস্থান নির্মাণ করা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এর জন্য সময় লাগবে। গাজায় মানুষ তাবুতে ঘুমাচ্ছে। সামনেই শীতকাল আসতে , তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তাই আমরা ট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের কথা ভাবছি।
তবে খাবার ও মৌলিক সুবিধা সংকটেও ভুগছে গাজাবাসী। তাই মানবাধিকার সুবিধাগুলো দ্রুত পৌঁছাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চলবে ধ্বংসস্তুপ অপসরণের কাজ। এর পরই হবে হাসপাতাল ও সামাজিক পরিসেবাগুলো পুনঃনির্মাণ।
জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টারের তথ্য বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজা সিটির ৮৩ শতাংশ ভবন।
