বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন সম্প্রতি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তার অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই তৈরি করা ভুয়া ও আপত্তিকর এআই-জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে এবং সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
ঐশ্বরিয়ার আইনজীবীরা আদালতে জানান, অনেক কনটেন্ট এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন তা বাস্তব মনে হয়, অথচ সেগুলো পুরোপুরি ভুয়া। এতে কেবল অভিনেত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না, বরং সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত হচ্ছে। মামলায় ঐশ্বরিয়া দাবি করেছেন, অবিলম্বে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছেন, ভবিষ্যতে যেন তার নাম, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করে কেউ অশালীন কনটেন্ট তৈরি করতে না পারে। পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন তিনি।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেকসহ এআই-ভিত্তিক ভুয়া কনটেন্টের বিস্তার বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ভারতে বর্তমানে আইটি আইন ও কপিরাইট আইনের আওতায় কিছু ব্যবস্থা নেওয়া গেলেও প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি ঠেকাতে নতুন ও কঠোর নীতিমালা জরুরি হয়ে পড়েছে।
ঐশ্বরিয়ার এই পদক্ষেপকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, একজন প্রভাবশালী অভিনেত্রীর আইনি লড়াই ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষকেও সুরক্ষা দিতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর এআই কনটেন্ট থেকে রক্ষা করতে তার এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
