পটিয়া প্রতিনিধি : কিডনিতে পাথরজনিত সমস্যা নিয়ে অসুস্থ শামসুল আলম (৩০) ভর্তি হয়েছিলেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক। নিজের অসুস্থ শরীরের চিকিৎসা ও পরিবারের ভরণপোষণ নির্বাহ করতেন রিকশা চালিয়ে। নিজের একমাত্র সম্বল রিকশাটি নিয়েছিলেন কিস্তিতে, এখনো ঋণ পরিশোধ হয়নি। ঋণ পরিশোধের আগেই খোয়া গেছে রিকশার ব্যাটারি। সপ্তাহখানেক আগেই রিকশায় নতুন ব্যাটারি স্থাপন করেছিলেন চালক শামসুল আলম। ব্যাটারির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৮ হাজার টাকা। ব্যাটারি হারিয়ে শামসুল আলম এখন প্রায় নিঃস্ব। তিনি পূর্ব আশিয়া ৬ নং ওয়ার্ডের মোজাফফর আলী বাড়ির মৃত সোনা মিয়ার পুত্র।
জানা যায়, পেটের ব্যথা নিয়ে গতকাল (শনিবার) রাত ১১ টার দিকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন রিকশাচালক শামসুল আলম। হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন নিজের রিকশাটাও। রাত ১ টার দিকে রিকশা আছে কিনা দেখতে গেলে তিনি আবিষ্কার করেন রিকশার ব্যাটারিটা নেই। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবিহবল হয়ে পড়েন শামসুল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঘটনা অবহিত করলে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে চোর চক্রকে চিহ্নিত করার আশ্বাস দেন তারা।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
