রাবিতা খন্দকার, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী চলমান নাশকতায় বন্ধ হয় ইন্টারনেটসেবা। অচল হয়ে পড়ে ডিজিটাল যোগাযোগ আর তখনই এ সমস্যার বিকল্প হিসেবে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ভিপিএন। ভিপিএন ভার্চুয়াল  প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। যা এমন এক ধরণের নেটওয়ার্ক কাঠামো  প্রাইভেট উপায়ে একাধিক নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।  মুলত ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তা, অপ্রবেশযোগ্য সাইটে প্রবেশের সুবিধার জন্য নব্বইয়ের দশকে ভিপিএন এর আবির্ভাব হয়।

তবে এর ব্যবহার কতটুকু নিরাপদ তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।

ভিপিএন টুল ডাউনলোড করার সময় মোবাইল বা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণসহ ফেসবুক, ইমেইলসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ওই ভিপিএন নির্মাতার কাছে। তাই এটি ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।  ব্যবহারকারীর ডেটা যেহেতু ভিপিএন সেবাদাতার হাত দিয়ে যায় ফলে ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড  হ্যাকিং এর মাধ্যমে নানা অনৈতিক কাজ ঘটার সম্ভাবনা থাকে।  এজন্য সেবাদাতার সততার ওপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা।  ভিপিএন সেটাপ এর ফিচার অনভিজ্ঞদের জন্য ভীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে আসতে পারে।