মো: রাকিবুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার : আজ রবিবার (১২ রবিউল আউয়াল, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) পবিত্র ইদে মিলাদুন্নবী (সা.)। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্ম ও ওফাতের দিন হিসেবে মুসলিম উম্মাহর কাছে দিনটি একইসঙ্গে আনন্দ ও শোকের স্মৃতিবাহী।

৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীতে কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন মহানবী (সা.)। ৬৩ বছর বয়সে একই তারিখে মদিনায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর আগমন অন্ধকারাচ্ছন্ন মানবসভ্যতায় আলোর দিশা এনে দেয়। তিনি শান্তি, ন্যায়, সমতা, সহমর্মিতা ও মানবতার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, যা সমগ্র পৃথিবীর জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল ও ওয়াজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া, মিলাদ মাহফিল এবং গরিব-দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা মহানবীর আদর্শ অনুসরণের মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, কল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ও দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় সভা, সেমিনার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা মনে করেন, আজকের বিভক্ত, সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি ও মানবতার মুক্তির একমাত্র পথ হলো প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ।